Home > বিনোদন > ডিরেক্টর ৬০ ফুট উঁচুতে চাঙে বসিয়ে রেখেছিল : জয়া

ডিরেক্টর ৬০ ফুট উঁচুতে চাঙে বসিয়ে রেখেছিল : জয়া

মুক্তি পেতে যাচ্ছে দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র মাহমুদ দিদার পরিচালিত ‘বিউটি সার্কাস’। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ১১ টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এই চলচ্চিত্রটি।

ইতোমধ্যে প্রচার শুরু করেছেন সিনেমাটির কলাকুশলীরা। এর আগে পোস্টার ও ট্রেলার প্রকাশ করার পর বেশ আলোচনায় চলে আসে চলচ্চিত্রটি। এদিকে চলচ্চিত্রটির মুক্তি নিয়ে শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর আয়োজন করা হয় এক সংবাদ সম্মেলনের।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “দেড় বছর পর আমার অভিনীত সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে। ইমোশনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিউটি সার্কাস। ফিকশন থেকেই দেখেছি মাহমুদ দিদারের আইডিয়া খুব ভালো হয়। বিউটি সার্কাস সিনেমায় আমার জন্য অসাধারণ একটি চরিত্র লিখেছে সে, আমার খুব ভালো লেগেছে। আমি কোনো স্টান্ট ম্যান ব্যবহার করিনি শুটিংয়ে। অনেক ঝুঁকি নিয়েছি, আবার মজাও ছিল। কারণ এরকম কিছু আর পাব কি না কে জানে। আমিসহ সবাই কষ্ট করেছে। প্রায় ৬০ ফিট উপড়ে ডিরেক্টর আমাকে চাঙ্গে বসায়ে রাখছিল।”

সিনেমার প্রস্তুতি নিয়ে জয়া বলেন, “ডিরেক্টর আমাকে বলে দিয়েছে যেভাবেই হোক আপনাকে এর রূপ পর্দা তুলে ধরতে হবে, তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। শুধু আমি না, এখানে যদি অন্য কোনো আর্টিস্ট থাকতো আমার মনে তাই করতো। কারণ এই ধরণের চরিত্র কিংবা স্ক্রিপ্ট সচারচর কাজ করার সুযোগ মিলে না। হয়তো সারাজীবনেও আর কখনও এ ধরণের স্ক্রীপ্ট হাতে আসবে না। তাই আমি অভিনয় করে ফেলেছি।”

বাংলাদেশ সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত (২০১৪-১৫) ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত চলচ্চিত্রটি নিবেদন করছে বসুন্ধরা গুঁড়া মশলা।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ প্রস্তুতি ও অর্থ সংকট কাটিয়ে বিউটি সার্কাস চলচ্চিত্রটির নির্মাণ শুরু করেন নির্মাতা মাহমুদ দিদার। ২০১৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় বিউটি সার্কাস ছবির শুটিং। দুই শতাধিক নির্মাণ সঙ্গী নিয়ে প্রায় দুই হাজার গ্রামবাসীর অংশগ্রহণে চিত্রধারণের কাজ করেন নির্মাতা।

এর জন্য নির্মাতা বিশাল সার্কাস প্যান্ডেল নির্মাণ ও গ্রাম্য মেলার আয়োজন করেন। বিউটি সার্কাস সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র হলেও অর্থ সংকটের কারণে ছবির কাজ শুরু করতে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে নির্মাতা মাহমুদ দিদারকে।

চলচ্চিত্রটিতে জয়া আহসানের বিপরীতে দেখা যাবে চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, তৌকির আহমেদ ও এবিএম সুমনকে। এতে আরও অভিনয় করেছেন শতাব্দী ওয়াদুদ, গাজী রাকায়েত মনিসা অর্চি প্রমুখ।