Home > লাইফ স্টাইল > বারান্দা হোক বাসার সবচেয়ে পছন্দের জায়গা

বারান্দা হোক বাসার সবচেয়ে পছন্দের জায়গা

শহুরে জীবনে বাসায় সবচেয়ে স্বস্তির জায়গাটি হলো বারান্দা। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে দীর্ঘ সময় ধরে বাসায় থাকা হচ্ছে বলে বারান্দাতে প্রায়ই সময় কাটাতে হয়।

তবে প্রায়শই বাড়ির বারান্দাটিকে কাপড়চোপড় ও অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দিয়ে এলোমেলো করে রাখা হয়। তা না করে যদি পরিষ্কার ও কিছু শৈল্পিক ছোঁয়া দেওয়া যায় তবে কাঠামোগত পরিবর্তন না করেই বারান্দার চেহারাটিকে পছন্দের রূপ দেওয়া সম্ভব। বাসার বারান্দাটি ছোট বা বড় যাইহোক এর মধ্যেই তা মনোরম, পরিপাটি ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতে পারেন। বারান্দায় যদি সূর্যের আলো আসে, পাখির কলরব শোনা যায় এবং আকাশের নীল দেখা যায় তাহলেই যথেষ্ট।

গাছাপালা
বারান্দায় প্রকৃতির ছোঁয়া থাকলে সবচেয়ে ভালো। অনেকেই প্লাস্টিকের কৃত্রিম গাছ রাখেন কিন্তু এক্ষেত্রে তাজা গাছ হচ্ছে সবচেয়ে ভালো পছন্দ। সবুজ পাতা ভরা বা লতানো ফুল বা সবজির গাছ ব্যালকনিতে থাকার চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর হতে পারে না। মাঠি ভরা টবে বীজ থেকে নিজেই চারাগাছ করতে পারেন অথবা নার্সারি থেকে সরাসরি ফুল, ফলের চারাগাছ কিনে এনে রাখতে পারেন বারান্দায়। বারান্দায় কিছুটা গোপনীয়তা আনার পাশাপাশি ঘরের নৈসর্গিক শোভাও বাড়বে এতে।

বারান্দায় মরিচ বাতি
বারান্দার রেলিংয়ে বা দেওয়ালে মরিচ বাতি লাগাতে পারেন। রাতে বারান্দায় গেলে অন্যরকম অনুভূতি তৈরিতে সাহায্য করবে মরিচ বাতির হালকা নরম আলো। লন্ঠন, বোতল এবং মোমবাতির হোল্ডার রেখেও বারান্দাকে মনোরম আলোয় ভরিয়ে তোলা যায়।

রাখুন বার্ড ফিডার
প্রতিদিন সকালে পাখির কলরব শুনে ঘুম থেকে উঠতে চাইলে একটি বার্ড ফিডার আপনার ব্যালকনিতে নিয়ে আসুন। বার্ড ফিডারে পাখিদের খাবার খাইয়ে নিজেও মানসিক প্রশান্তি পাবেন, এতে আপনার দিনটি শুরু হবে দারুণ অনুভূতি নিয়ে। আসলে সকালে পাখির কলরবের চেয়ে মধুর সুর আর কিছু হয় না।

ফুলের বড় টব রাখুন
বেলকনির চারাগাছগুলির সঙ্গে সিরামিক বা মোজাইক বা মাটির কিছু ছোট-বড় আকারের টব রাখুন। এগুলোতে গাছও লাগাতে পারেন আবার শৈল্পিক টবে বা ফুলদানীতে আপনার বারান্দায় অন্যরকম সৌন্দর্য ফুটে উঠবে। বাজারে ছোট-বড় টব পাওয়া যায়। টবে শুধু গাছ লাগাতেই হবে তা নয়, সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্যও তা রাখা হয়।

কৃত্রিম ঝর্ণা
মনকে শান্ত এবং সতেজ করতে জলের গড়িয়ে পড়ার শব্দ সবচেয়ে কাজের। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে একটু বেশি টাকা খরচ করতে হবে। যেহেতু আপনি ঘরে প্রাকৃতিক ঝর্ণার পাশে বসে কলকল শব্দ শুনতে পারছেন না, তাই কৃত্রিম ঝর্ণার শব্দ বারান্দাতে যুক্ত করলে সত্যিকারের সে অনুভূতি আপনার ঘরেই এনে দেবে এবং মনকে রাখবে সতেজ।

Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*